মঠবাড়িয়া মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ইউপি সদস্য শামীম - মঠবাড়িয়ার বার্তা

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Wednesday, February 19, 2020

মঠবাড়িয়া মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ইউপি সদস্য শামীম


বার্তা রিপোর্ট : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া অভিযোগ রয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতণ দমন আইনের একটি মামলায় উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে আসামী করা হয় শামীম মিয়াজী (৩৬) নামে এক ইউপি সদস্যকে। শামীমকে মামলায় আসামী করায় শুরু থেকেই বিভিন্ন মহলে ছিলো নিন্দার ঝড়। শামীম মিয়াজী উপজেলার ৪ নং দাউদখালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বর ও দাউদখালী গ্রামের মৃত. মাওঃ আঃ হামিদ মিয়াজীর ছেলে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক জ্যোতির্ময় হালদার অধিকতর তদন্ত শেষে ওই মামলার সাথে ইউপি সদস্য শামীমের সংশ্লিষ্টতা না পেয়ে শামীমসহ ৪ জনের নাম বাদ দিয়ে রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারী) উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালতের আইনজীবি সহকারি আবুর বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য-গত ১২ সেপ্টেম্বর‘১৯ তারিখে রুবী আক্তারকে যৌতুকের জন্য তার স্বামী হারুন খান ও তার সহযোগিরা মারপিট করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবীর মৃত হয়। হারুন খান দাউদখালী গ্রামের মৃত. উজ্জত আলী খানের ছেলে। রুবীর মৃত্যুর ঘটনায় ২৪ সেপ্টেম্বর তার পিতা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মৃত. আমিন উদ্দিন বেপারীর ছেলে রফিজ উদ্দিন বেপারী জামাতা হারুন খানকে ১ নং আসামী ও ইউপি সদস্য শামীম মিয়াজীকে ২ নং আসামী করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতণ দমন আইনের মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ অধিতকর তদন্ত শেষে রুবীর স্বামী হারুন খান ও চাচাত দেবর সবুর খানের সংশ্লিষ্টতার প্রমান পায়। এমর্মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ইউপি সদস্য শামীম মিয়াজী বলেন, ঘটনার দিন আমি ঢাকায় ছিলাম। তাছাড়া হারুন খানের বাড়ি আমার বাড়ি থেকে অনেক দূরত্ব। তারা আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাত্র। আমার সাথে রুবীর পিতা বা স্বামীর কোন প্রকার বিরোধ বা সম্পর্ক নেই। স্থানীয় রাজনৈতিক দ্বন্দে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here