প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ - মঠবাড়িয়ার বার্তা

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Monday, April 27, 2020

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


বার্তা রিপোর্ট : গত ২২ এপ্রিল-২০২০ অনলাইন নিউজ পোর্টল মঠবাড়িয়া বার্তা ও জাতীয় দৈনিক বর্তমান সময় পত্রিকার অনলাইন ভার্ষণসহ বিভিন্ন পত্রিকায় “ মঠবাড়িয়ায় ওসির বিরুদ্ধে ভিকটিমের বক্তব্য অনুযায়ী মামলা না নেয়ার অভিযোগ : অস্বীকার করলেন ওসি” প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

সংবাদে বলা হয়েছে- মঠবাড়িয়ায় সদ্য নবজাতকের মা হওয়া এক স্কুল ছাত্রীর (ভিকটিম) বক্তব্য অনুযায়ী মামলা নেয়নি মঠবাড়িয়া থানার ওসি মাসুদুজ্জামান। ওই স্কুল ছাত্রীর (১২) জবানবন্দি দেয়ার সময় ধর্ষনের সহযোগি হিসেবে প্রতিবেশী বাচ্চু মৃধার নাম বলায় পৃথক ভাবেই ভিকটিম ও তার পিতা (বাদি) কে ধমক দেয় ওসি মাসুদুজ্জামান ও এসআই শহিদুল ইসলাম। এব্যপারে ভিকটিমের পিতা মামলার বাদি পিরোজপুর পুলিশ সুপার মহোদ্বয় বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। ভিকটিমের পিতার অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্যেশ্য প্রনোদিত, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

আমি বাচ্চু মৃধা, পিতা-মৃত. আঃ গণি মৃধা, গ্রাম –জানখালী, উপজেলা মঠবাড়িয়া, জেলা-পিরোজপুর। আমার সাথে ভিকটিমের চাচা ও ফুপার সাথে দীর্ঘ বছরের জমা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জেরে আমাকে হয়রানি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে ভিকটিমের পিতা পিরোজপুর পুলিশ সুপার মহোদ্বয় বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।

উল্লেখ্য-গত ১৪ এপ্রিল-২০২০ তারিখে মঠবাড়িয়া থানায় গিয়ে ভিকটিম ও তার পিতার (বাদি) অভিযুক্ত আসামী রুহুল আমিনের বিরুদ্ধেই জবনবন্ধি প্রদান কওে এমনকি ভিকটিম বিজ্ঞ আদালতে ধর্ষক হিসেবে শুধু রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ করে জবানবন্ধি দেয়। রুহুল আমিন উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত. মফেজ উদ্দিন হাওলাদার।

ভিকটিমের স্বজনরা আমাকে অহেতুক হয়রানি করার উদ্দেশ্যে ও সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য মামলা হবার বেশ কয়েকদিন পরে আমার বিরুদ্ধে পিরোজপুর পুলিশ সুপার মহোদ্বয় বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়াসহ সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে। আমি ওই সংবাদের তীর্ব্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here