মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ ৫টি ঘর নির্মাণ করে দিলো সেনাবাহিনী - মঠবাড়িয়ার বার্তা

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Wednesday, June 3, 2020

মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ ৫টি ঘর নির্মাণ করে দিলো সেনাবাহিনী


বার্তা রিপোর্ট : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বলেশ্বর নদ তীরবর্তী বড়মাছুয়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়িয়া, চড় ভোলমারা জেলে পল্লীর বেল্লাল, আলমগীর, দেলোয়ার, আবুল ও দেলোয়ার খলিফার ক্ষতিগ্রস্থ ঘর গুলো নির্মাণ করে দিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২জুন) দুপুরে উপজেলার বলেশ্বর নদ তীরবর্তী বড়মাছুয়া ইউনিয়নের জেলে পল্লী খেজুরবাড়িয়া গ্রামের স্ট্রীমার ঘাট ও চর ভোলমারা এলাকায় দুঃস্থ অসহায় ৫টি জেলে পরিবারের ক্ষতিগ্রস্থ ৫ টি ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাত পদাতিক ডিভিশন ২৬ হর্স রেজিমেন্ট। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাত পদাতিক ডিভিশন ২৬ হর্স রেজিমেন্ট এর ক্যাপ্টেন মুয়াজ আলম সহ তার নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টিম । 

জেলে আলমগীর হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের দিন ঘরেই ছিলাম। হঠাৎ রাতে প্রচন্ডঝড়ে ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়। উপায় না পেয়ে ঘরবাড়ি ফেলে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিই সবাই। তিনি বলেন, টাকার অভাবে ঘরটি ঠিক করতে পারিনি। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পরের দিন সেনাবাহিনীর সদস্যরা খাদ্য সহায়তা নিয়ে আসেন। তারা আমাদের  ক্ষতিগ্রস্থ বসত ঘর দেখে তালিকা করেন। ঠিক তার পরের দিন থেকেই কাঠ,বাশ, টিন দিয়ে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ ঘর নির্মণ শুরু করে সেনাবাহিনী।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে যাওয়ার ঘর সেনাবাহিনী এসে নতুন টিন, কাঠ, বাঁশ কিনে ৫টি ঘর তৈরি করে দেয়। নতুন ঘর পেয়ে খুশি ওই দুঃস্থ জেলে পরিবারের সদস্যরা।

ক্যাপ্টেন মুয়াজ আলম বলেন, দেশের যেকোনো সঙ্কটে সেনাবাহিনী মানুষের জন্য কাজ করে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ৫ জন অসহায় গরিব মানুষের ঘর ইতোমধ্যে নির্মান করা হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here